Make Tech Wired

কীভাবে হ্যাকারদের মতো ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করবেন? [২০২৩]

ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস

ডার্ক ওয়েব, হোয়াট ইজ দ্যা ডার্ক ওয়েব? ডার্ক ওয়েবের নাম শুনতেই মনের মধ্যে জেগে উঠে আহা কতোই না রহস্য রয়েছে এই ডার্ক ওয়েবের মধ্যে! ইন্টারনেট এর এই অন্ধকার দুনিয়া নানান কু-কর্মের জন্য কুখ্যাত হলেও এর কিন্তু ভালো দিকও রয়েছে মানে বহু লেজিট ব্যবহার রয়েছে। ধরুন আপনি নিজের সম্পূর্ণ পরিচয় গোপন রেখে কারো সাথে ইনফরমেশন শেয়ার করতে চাচ্ছেন এর জন্য ডার্ক ওয়েব আদর্শ যায়গা হতে পারে।

সত্যি বলতে, I don’t know আপনি কেন ডার্ক ওয়েব ভিজিট করতে চান, এইটা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। কিন্তু আপনি যখনই ইন্টারনেট এর এই রেসট্রিক্টেড এরিয়া ভিজিট করার চেষ্টা করবেন আমি চাই আপনি সর্বাধিক সুরক্ষিত থাকুন। এই আর্টিকেলে আমি ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করার বেসিক থেকে আলট্রা প্রো লেভেল পর্যন্ত আলোচনা করবো। আমরা জানবো কীভাবে লেভেল ১ থেকে শুরু করে লেভেল ৪ পর্যন্ত নানান প্রো টিপস গুলো অনুসরন করে হ্যাকারদের মতো কমপ্লিট অ্যানোনিমাস হতে পারবেন।

তো দেরি কিসের?


লেভেল ওয়ান — টর ব্রাউজার

ঠিক আছে, তো আপনার কাছে যেকোনো একটি ডিভাইস রয়েছে। হোক সেটা আন্ড্রয়েড, উইন্ডোজ পিসি, ম্যাক, লিনাক্স ডিভাইস বা যেটাই হোক আপনি ডার্ক ওয়েব ভিজিট করতে বা অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছেন। প্রথম বেসিক যে জিনিসটা প্রয়োজন হবে তা হলো এক স্পেশাল ব্রাউজার, টর ব্রাউজার বা দ্যা পেয়াজ ব্রাউজার! যেমন সাদা ওয়েব ভিজিট করার জন্য দরকার হয় গুগল ক্রোম, মজিলা, বা ব্রেভ ব্রাউজার — ঠিক তেমন কালো ওয়েব ভিজিট করতে প্রয়োজন পড়বে এই পেয়াজ ব্রাউজার মানে অনিয়ন রাউটার বা টর ব্রাউজার!

তো সরাসরি চলে যান এই ঠিকানায় https://www.torproject.org/download/ এবং আপনার ডিভাইস অনুসারে টর ব্রাউজার টি ডাউনলোড করে নিন।

আমিও উইন্ডোজ পিসির জন্য ডাউনলোড শুরু করলাম। ডাউনলোড হতে থাকুক, এর মধ্যে বলে নেয় এই টর ব্রাউজার আসলে করে টা কি। পেয়াজের যেমন একের পর এক খোসা বা লেয়ার থাকে। মানে একটা খোসা ছাড়ালে আরেকটি খোসা চলে আসে আর এভাবে শেষ পর্যন্ত চলতে থাকে। টর ব্রাউজারের কনসেপ্ট টা একেবারেই সেম। আপনি যখন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য রিকয়েস্ট করেন সেটা আইএসপির কম্পিউটার হয়ে ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারের কাছে গিয়ে পৌছায়, ব্যাস এতোটুকুই।

কিন্তু টর ব্রাউজার কি করে, আপনার আইএসপি এবং ওয়েব সার্ভারের মাঝে আরো তিন টা কম্পিউটার হয়ে রিকোয়েস্ট রাউট করে নিয়ে যায়। মানে প্রথমে আপনার আইএসপি থেকে রিকোয়েস্ট যায় টর এর ১ম নোডের কাছে। তারপরে ১ম নোড থেকে ২য় নোড, এবং শেষে তৃতীয় নোড হতে ওয়েব সার্ভারের কাছে গিয়ে রিকোয়েস্ট টি পৌছায়। আপনার আপনার আর ওয়েব সাইট টির মাঝে ৩টি পেঁয়াজের খোসা থাকে ফলে ওয়েব সাইট টি আপনার আসল পরিচয় ট্র্যাল করতে পারে না।

যাইহোক, আমার কম্পিউটারে টর ডাউনলোড করা শেষ। চলুন এটাকে সাধারন যেকোনো উইন্ডোজ সফটওয়্যারের মতো ইন্সটল করে ফেলা যাক।

ইন্সটল হওয়ার পরে টর ব্রাউজার টি রান করলে উপরের ইন্টারফেস টি দেখতে পাবেন। তো এক্সাইটেড? ডার্ক ওয়েব কিন্তু আর মাত্র এক ক্লিক দূরে… জাস্ট কানেক্ট বাটনে ক্লিক করলেই অনিয়ন রাউটার বা টর নেটওয়ার্ক কানেক্ট হয়ে যাবে। তো দেরি কিসের? এই দিলাম ক্লিক, “কানেক্ট” (কানেক্ট হচ্ছে…) বুম… কানেক্টেড! তো? আমরা কি এখন ডার্ক ওয়েবের জগতে প্রবেশ করে ফেলেছি? আরে, অবশ্যই! একটু আইপি চেক করে নেয়, ওয়েট। চলে গেলাম google.com এ আর সার্চ করলাম “what is my ip” লিখে, আর রেজাল্ট এ আমার আইপি শো করবে।

তো দেখতেই পাচ্ছেন, আমার ব্রাউজার থেকে প্রথমে ক্যানাডার একটি সার্ভার কানেক্ট করেছে তারপরে দ্বিতীয় রোমানিয়া এবং তৃতীয় অ্যামেরিকার সার্ভার হয়ে ওয়েবসাইট টির কাছে কানেক্ট হয়েছে। আর আমার আইপি অ্যাড্রেস টি পরিবর্তন হয়ে একটি IPV6 আইপি দেওয়া হয়েছে যেটা মোটেও আমার আইপি নয়, বরং টর নেটওয়ার্ক এর আইপি অ্যাড্রেস।

কিন্তু কোথায় ডার্ক ওয়েব?

কুল… এখন বলবেন, “তাহমিদ ভাই? কই ডার্ক ওয়েব? এতো সাধারন ওয়েব ই ভিজিট করে দেখাচ্ছেন 😒কোথায় সব আজব আজব স্ট্যাফ যেগুলোর জন্য ডার্ক ওয়েব কুখ্যাত, আমাদের একটু দেখান”। — দেখুন, ডার্ক ওয়েব এর কাহিনী টাই এমন, সবকিছু লুকানো। সার্ফেস ওয়েব বা সাধারন ইন্টারনেট ওয়েবসাইট গুলো নিজেদের পরিচিতি বিস্তার করতে করতে চায় সেখানে ডার্ক ওয়েবের সাইট গুলো প্রকৃতিগত ভাবে লুকিয়ে থাকে। আপনি ততোক্ষণ পর্যন্ত খুজেই পাবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে সাইটের অ্যাড্রেস কেউ বলে দেবে বা লিখে দেবে।

ডার্ক ওয়েবের ওয়েবসাইট গুলো গুগল পর্যন্ত খুঁজে বের করতে পারে না বা ইনডেক্স করতে পারে না। সার্ফেস ওয়েব এ আপনি কোন ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলে রাখলেও গুগল বট এসে ঠিকই ওয়েবসাইট খুঁজে বের করবে এবং ইনডেক্স করে ফেলবে ওদের সিস্টেমে। কিন্তু ডার্ক ওয়েবে এমন নিতি কাজে লাগে না, গুগল বট বা যেকোনো সার্চ ইঞ্জিন এই সাইট গুলো ইনডেক্স করতে পারে না।

চলুন, টর যখন কানেক্ট করেছি তো কিছু ডার্ক ওয়েব সাইট ভিজিট করা যায়। ফেসবুকের ডার্ক ওয়েব ভার্সন ভিজিট করি। আপনাকে টর ব্রাউজারে গিয়ে এই অ্যাড্রেস টি ভিজিট করতে হবে। facebookwkhpilnemxj7asaniu7vnjjbiltxjqhye3mhbshg7kx5tfyd.onion — ব্যাস আপনি ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবেন। বেসি এক্সাইটেড হওয়ার দরকার নেই, এটা জাস্ট আপনার রেগুলার ফেসবুকের ই ডার্ক ওয়েব ভার্সন। এখানে আর আলাদা কিছু সুবিধা নাই।

সার্ফেস ওয়েবের সাইট গুলোর নামের শেষে যেমন .com, .net, বা .tech এক্সটেনশন দেখতে পাওয়া যায় — ডার্ক ওয়েবে তেমন .onion এক্সটেনশন দেখতে পাবেন। ফেসবুকের ইউআরএল টি খেয়াল করলে দেখবেন প্রথমে ফেসবুক তো ঠিকই লেখা রয়েছে তারপরে বিশাল এক হাবিজাবি স্ট্রিং দেওয়া আর শেষে .onion এক্সটেনশন। কোন ভাবেই মনে রাখা ফ্রেন্ডলি করে এই নাম গুলো হয় না। কারন এটা ইচ্ছা করেই কেউ যেন খুঁজে না পায় তাই এমন টা করা। সার্ফেস ওয়েব এর সবকিছু উল্টা এখানে। যেমন DuckDuckGo এর অনিয়ন URL https://duckduckgogg42xjoc72x3sjasowoarfbgcmvfimaftt6twagswzczad.onion (কি একটা অবস্থা)।

মানে এখানে সহজ নাম .com, .net এগুলো কোন খাওয়া নাই। অহ ezohost.com এ ডোমেইন, ক্লাউড হোস্টিং, উইন্ডোজ RDP সার্ভার সবকিছু পাচ্ছেন বিরাট ডিস্কাউন্ট এ, এক্ষুনি ভিজিট করুন ezohost.com

লেভেল টু — ভিপিএন + টর ব্রাউজার

টর ব্রাউজার ডাউনলোড করলেন আর টর নেটওয়ার্ক কানেক্ট করলেন তাও ডিফল্ট সেটিংস রেখে, নোপ… এইটা একেবারেই সিকিউর না। আপনার আইএসপি ইজিলি ধরে ফেলবে আপনি টর কানেক্ট করেছেন। আপনার আইএসপি হয়তো দ্বিতীয় বা তৃতীয় নোড দেখতে পাবে না কিন্তু প্রথম নোড ইজিলি দেখতে পারবে। নো নো Too Risky! দ্বিতীয় লেভেল সিকিউরিটির জন্য আমরা একটি পেইড ভিপিএন সার্ভিস ব্যবহার করবো। প্রথমে ভিপিএন কানেক্ট করে নেবো যাতে আইএসপি শুধু ভিপিএন কানেক্ট করেছি এইটা দেখতে পায় (প্রিটি সিম্পল রাইট)। তারপরে টর নেটওয়ার্ক কানেক্ট করবো।

তবে সবকিছু করার আগে টর এর ডিফল্ট সেটিং মডিফাই করতে হবে। ডিফল্ট সেটিংস রেখে সিকিউর থাকা যাবে না। আপনার আইপি অ্যাড্রেস না পাওয়া যাক, স্টিল ব্রাউজার থেকে এমন বহু ডাটা কালেক্ট করা সম্ভব যে ভালো মতো একটা প্রোফাইল তৈরি করে ফেলা যেতে পারে।

টর কানেক্ট করার পূর্বে চলে যান Configure Connection… এই সেটিংস এর মদ্ধে।

এবার সাইডবারে দেখুন Privacy & Security ট্যাব দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করে নিচে স্ক্রল করে Security সেকশনে চলে আসুন। এখানে তিনটি সিকিউরিটি লেভেল দেখতে পাবেন। Standard, Safer, Safest — স্ট্যান্ডার্ড ডিফল্ট ভাবে সেট করা থাকে, এটাকে পরিবর্তন করে “Safest” লেভেল টি সিলেক্ট করতে হবে। এতে করে সকল সাইটের জন্য জাভা স্ক্রিপ্ট অফ হয়ে যাবে। আপনার কাজ ডান। জাভা স্ক্রিপ্ট কোড ব্যাবহার করে ওয়েবসাইট গুলো সহজেই হাজারো টাইপের ইনফো যেকোনো ব্রাউজার থেকে উগ্লে নিতে পারে।

এবার পূর্বে যেকোনো পেইড ভিপিএন কানেক্ট করুন তারপরে টর কেনেক্ট করুন। ব্যাস হয়ে গেলো। এই মেথড প্রথম লেভেল থেকে সিকিউর, কিন্তু একেবারে সিকিউর নয়। এখনো আপনাকে ট্র্যাক করা সম্ভব, আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া সম্ভব। চরম সিকিউরিটি লেভেলে পৌছাতে আমাদের প্রয়োজন লেভেল ৩ টাইপ সিকিউরিটি।

লেভেল থ্রি — পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে ডার্ক নেট অ্যাক্সেস

ভারতের অভিনেতা আমীর খানের ঘাজিনি (Ghajini) মুভির কথা মনে আছে? আমীর কিছু টাইম পরে সবকিছু ভুলে যেতেন। আমরা এমন একটা সিস্টেম তৈরি করবো যেটা একটু পরেই ভুলে যাবে তার সাথে কি কি করা হয়েছিলো। যদিও পরে জানতে পারি ছোট বেলার এই প্রিয় মুভিটিও ছিলো একটা রিমেক, আহ কষ্ট 😒

কমপ্লিট সেফ থাকার জন্য আমাদের একটি পেন ড্রাইভে লিনাক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে হবে। তারপরে সেই ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা পেন ড্রাইভ কে বুটেবল বানিয়ে সরাসরি পেন ড্রাইভ থেকে লাইভ লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বুট করতে হবে। এতে আপনার সব অ্যাক্টিভিটি জমা হবে পেন ড্রাইভের ভেতরে অ্যান্ড পেন ড্রাইভ খুলে নিলেই সব কিছু শেষ! কম্পিউটার সবকিছুই ভুলে যাবে। কিছুই সেভ থাকবে না, নো অ্যাক্টিভিটি, নো ট্রেস।

আপনি উবুন্টু বা কালির মতো ডিস্ট্র গুলো লাইভ রান করে সেখানে TOR ইন্সটল করে কাজ চালাতে পারেন। কিন্তু আমি স্পেসিফিক ডার্ক ওয়েব মেশিন তৈরি করার জন্য Tails পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে রেকোমেন্ড করবো। কারন এটি সারভিলেন্স বা ট্র্যাকিং থেকে প্রটেক্ট করার জন্যই স্পেসাল ভাবে তৈরি করা হয়েছে। সাথে এতে বিল্ড ইন ভাবে টর ব্রাউজার সাপোর্ট রয়েছে।

এখান থেকে তাদের ওয়েবসাইটে যান, এরপরে Other Options থেকে Download only (for USB sticks) ভার্সন টি নির্বাচন করুন। এবার ইমেজ ফাইল টি ডাউনলোড হয়ে গেলে আপনার প্রয়োজন পরবে একটি এটলিস্ট ৮ জিবি সাইজের পেন ড্রাইভ এবং একটি বুটেবল ইউএসবি তৈরি করে এমন সফটওয়্যার। তবে Tails অফিসিয়াল ভাবে balenaEtcher টুলটি ব্যবহার করতে রেকোমেন্ড করে। এখান থেকে টুল টির পোর্টেবল ভার্সন ডাউনলোড করে নিন।

টুল টি ওপেন করেন আপনার পেন ড্রাইভ কম্পিউটারে প্লাগিন করুন। এবার ডাউনলোড করা .img ফাইলটি টুলটিকে দেখিয়ে দিন। পরবর্তী স্টেপে পেন ড্রাইভ টিকে দেখিয়ে দিন। ব্যাস, ফ্ল্যাশ শুরু হয়ে যাবে। ফ্ল্যাশিং শেষ হলে আপনার কম্পিউটার রিবুট করুন। এবার ব্যাপার টা খানিকটা ট্রিকি হতে পারে কারন আপনাকে এবার বুট মেনু বা বায়োস মেন্যুতে প্রবেশ করতে হবে পেন ড্রাইভ থেকে কম্পিউটার বুট করার জন্য। একেক কম্পিউটাররের মেন্যু একেক বাটনে থাকে। আপনি গুগল করেও জেনে নিতে পারেন। কিংবা কম্পিউটার বুট হওয়ার সময় ESC, F2, F11, F12, Delete ইত্যাদি বাটন র‍্যান্ডম ভাবে প্রেস করেও দেখতে পারেন। একটা না একটা কাজ করার কথা।

বুট মেন্যু থেকে এভাবে পেন ড্রাইভ টি সেলেক্ট করে কম্পিউটার বুট করতে হবে। আপনার কম্পিউটারের ইউআই আলাদা হবে, কিন্তু মোটামুটি এমনই অপশন গুলো দেখতে পাবেন যেখানে আপনাকে ফ্ল্যাশ ড্রাইভ টি সিলেক্ট করতে হবে।

পেন ড্রাইভ থেকে বুট হয়ে গেলে এমন বুট অপশন দেখতে পাবেন। জাস্ট Tails সিলেক্ট করলেই সিস্টেম এ বুট হয়ে যাবে অ্যান্ড সব কাজ ডান।

অনেকের ওয়াইফাই ড্রাইভারের ঝামেলা হতে পারে, সেক্ষেত্রে বাজার থেকে ছোট ওয়াইফাই স্টিক কিনতে হবে। অথবা আপনি চাইলে ইথারনেট কানেকশন ব্যবহার করেও কাজ চালিয়ে নিতে পারেন। এভাবে আপনি ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করলে ভালো লেভেল এর সিকিউর থাকতে পারবেন। মানে পোর্টেবল অপারেটিং সিস্টেম + ভিপিএন + টর ব্রাউজার। পারফেক্ট!

লেভেল ফোর — আরো অ্যাডভান্স?

ডার্ক নেট অ্যাক্সেস করার সময় সিকিউরিটির কথা চিন্তা করতে গেলে আমি লেভেল থ্রি এর নিচে রেকোমেন্ড করতে করবো না। লেভেল টু অতটা সিকিউর না। মিনিমাম লেভেল থ্রি সিকিউরিটি প্রয়োজন। কিন্তু একেবারে বুলেট প্রুফ সিকিউরিটি তৈরি করতে চাই ভার্চুয়াল কম্পিউটার অথবা ভার্চুয়াল ব্রাউজার দিয়েও করা যেতে পারে। দুই কনসেপ্ট একেবারেই সেম।

উইন্ডোজ ভার্চুয়াল সার্ভার কিনে সেখানে টর ব্রাউজার ইন্সটল করে ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করা সর্বাধিক নিরাপদ। ezohost.com থেকে সহজেই সস্তায় Windows RDP কিনে ফেলতে পারবেন। এরপরে, সেই ভার্চুয়াল সার্ভার কানেক্ট করে টর অ্যাক্সেস করবেন। টরের সাথে আপনার কোন সম্পর্কই থাকলো না। আপনার লোকাল কম্পিউটারে কিছু হচ্ছেই না। টর রান হচ্ছে দুনিয়ার কোন এক প্রান্তে থাকা কম্পিউটারের মধ্যে আর আপনি সব ধরনের অ্যাক্টিভিটি করে যেতে পারবেন কোন ট্রেস ছাড়ায়। আর এটা টর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা বা ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করার চতুর্থ লেভেলের সিকিউরিটি!


এতদুর পর্যন্ত পড়ে থাকলে, I really appreciate you! আর্টিকেল টি শেয়ার করলে আরো কৃতজ্ঞ থাকবো সাথে wirebd.tech কে সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে অনুসরন করতে ভুলবেন না। কমেন্ট সেকশনে আপনার মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।

Share this article
Shareable URL
Prev Post

আন অফিসিয়াল ফোনের কিছু সমস্যা, যেগুলো নিয়ে কেউ আলোচনা করে না 😔

Next Post

৫টি সেরা টেলিগ্রাম বট [প্রথম পর্ব] [২০২৩]

Comments 1
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

সাপ্তাহিক আর্টিকেল গুলো সরাসরি ইনবক্সে!